Archive for the ‘বাংলা’ Category

আপনারা কি জানেন কিভাবে একজন হিন্দু হিন্দু হয়ে ওঠে? আপনারা কি জানেন কিভাবে একটা হিন্দু ছেলে শেষ পর্যন্ত হিন্দু হয়ে যায়?? হয়তো জানেন কিন্ত ভুলে গেছেন।

আমরা বেশীরভাগই বংশগত অথবা পরিবারগতভাবেই হিন্দু বা মুসলিম বা খ্রীষ্টান। সাধারণভাবে কেন একজন মুসলিম ছেলে হিন্দু হয় না অথবা হিন্দু ছেলে মুসলিম হয় না? উত্তরটা খুবই সোজা। সবাই যার যার পরিবারের নিকটতম সান্নিধ্যে থাকতে চায়, নিজের পরিচিত গন্ডী ভেঙ্গে বের হয়ে আসার মত সাহসের অভাব, ছোটবেলা থেকে গড়া অভ্যাসের প্রতি নির্ভরশীলতা এবং পরিবার ও পারিপার্শ্বিকতা থেকে পাওয়া ধর্মভীরুতা।

কিন্তু এত কিছুর পরও একটা হিন্দু ছেলে তার পরিচিত গন্ডী থেকে বের হয়ে আসতে পারে। সেই পরিমান সাহস ও বুদ্ধি সে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অর্জন করে। সে একজন নাস্তিক্যবাদী মানুষে পরিণত হতে চায়। ধর্মের কফিন ভেঙ্গে সে বেরিয়ে আসার মত সক্ষমতা অর্জন করে চারপাশের নিদারুণ মস্তিষ্ক ধর্ষণ সত্ত্বেও। কিন্তু সে শেষ পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পারে না। তার কফিনে শেষ পেরেকটা খুব শক্তভাবেই মেরে দেয় আমাদের সমাজ সংসার। আশ্চর্যের বিষয় হল এই পেরেক মারার মিস্ত্রিটা কিন্তু কোন হিন্দু নয় বরং মুসলিম। হ্যাঁ আমাদের চারপাশের মুসলিমরাই তাদের আরো বেশী হিন্দু করে তোলে আরো বেশী গোঁড়া ও রক্ষণশীল করে তোলে।

একটা হিন্দু ছেলে আমাদের এই দেশে ছোট থাকতেই তার চারপাশের সমাজে নিজেকে আলাদা ভাবতে শুরু করে। সে বুঝতে পারে সে হিন্দু, তাকে প্রতি পদে পদে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় যে সে হিন্দু। তাকে কানের কাছে মুখ এনে বলা হয়, “তুমি হিন্দু! তুমি হিন্দু!! তুমি হিন্দু!!!” ফলে খুব ছোট থাকতেই তার চারপাশের পরিচিত গাছপালা তার কাছে অপরিচিত হয়ে যায়। একজন মুসলিম ছেলেকে কেউ বলে না তুমি মুসলিম, তুমি একটু ভিন্ন ধর্মের, তোমার ধর্ম আলাদা, ধর্ম বলে একটা জিনিস আছে, তুমি পুরোপুরি আমাদের সমাজের নও, তুমি একটু ভিন্ন। একজন মুসলিম ছেলে কখনো চিন্তা করে না, সে একটা ভিন্ন সমাজে আছে, সে একটা ভিন্ন ভাবধারায় আছে। সকালবেলার প্রাতকৃত্যের মতনই তার সমাজটা তার কাছে পরিচিত। সেখানে সে নিজ ধর্ম নিয়ে খুব কমই চিন্তা করে, বরং স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে সে ধর্মকে মেনে নিয়ে জীবনের উপপাদ্যগুলো তৈরী করতে থাকে। তাকে কখনো ভাবতে হয় না, আমি কোন সমাজের, কোথায় গেলে আমি নিঃসঙ্কোচভাবে চলতে পারব। Read the rest of this entry »


বাংলাদেশের জম্ম যদিও ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে জম্ম হয়েছিল, বাস্তবে এখন আর নেই।এরশাদ সরকার উনার বাবার সম্পত্তির মতই একে মুসলিম দেশ হিসেবে ঘোষণা করেন। এর জন্য তিনি নেননি কোন জনসাধারণের মতামত। সাথে সাথেই বাংলাদেশের কপালে আরেকবার কালিমা লেপন করা হলো। পর্যায়ক্রমিকভাবে সময় এগিয়ে গেলেও অসভ্যতার মায়াজাল আরো ঘনীভূত হয় বাংলাদেশে।

Religious Demography


২০০১ এর উপাত্ত অনুসারে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৯ শতাংশ ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্নী। মোট জনসংখ্যার মাত্র নয় শতাংশ মানুষ যদি আঃ লীগে ভোটও দেয়, তাহলে কোন ভাবেই আঃ লীগ জয়ী হতে পারেনা। এর মানে, এই হলো বাংলাদেশ সরকার গঠনে আঃ লীগকে ভোট সংখ্যা গরিষ্ঠতায় আংশিক বা পূর্ণাংগভাবে জয়ী হতে হলে, অবশ্যই অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও সহযোগী থাকতেই হবে।


কিন্তু, দূর্ভাগ্য হলেও সত্যি, ২০০১ সালে সবচেয়ে বেশি হেনস্থা হতে হয়েছিল একদল মানুষদের যাদের ধর্ম ছিল হিন্দু। হত্যা, সম্পত্তি লুন্ঠন, অকথিত অত্যাচার ও গণধর্ষনের মতো বেশ ভয়াবহ অপরাধ উঠে আসে কোন এক দল রাজনৈতিক দলগোষ্ঠির কর্মীদের সাহায্যে। তাদের অপরাধ, তারা মালাউন। তারা আঃ লীগের ভোট ব্যাংক। ভোট যদি নাগরিক মৌলিক অধিকার হয়, তবে আঃ লীগকে ভোট দেওয়াও কোন অপরাধ নয়। তবে, এর শাস্তি হিন্দুসহ সমস্ত সংখ্যালঘুদের কেন দিতে হবে? মানবতা বিরোধী এই অসুস্থ মানসিকতার আসল হোতা কারা? তাদেরই বা কেন বিচার হলো না? আপনার বা আমার কারো কিছু হয় নি বলে মুখে কলুপ এটে কতক্ষণ? নারকীয় অতি অল্প কিছু সত্য দৃশ্য দেখুন,

Gangni, Meherpur, Kushtia.

Banskhali coast, Chittagong

Chitalmari, Bagerhat.

Keranigonj, Dhaka.

Ramshil, Gopalgonj.

Ramshil, Gopalgonj.

বিস্তারিত

 


বাংলাদেশের যেকোন রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘুদের ও তাদের স্বার্থ সংক্রান্ত মুখ ভরা বুলি থাকলেও বাস্তবে তার কোন প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যায় না। শুধু সংখ্যালঘু কেন, কতো সাধারণ মানুষ হেনস্তা হয়েছেন। অনেকেই বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যা লঘুদের জামাই আদরে রাখা হয়েছে। আমি শুনি আর হাসি। সরকারী বড় কোন পোস্টে কতজন সংখ্যালঘু রয়েছে, বলুন তো? দেখাতে পারবেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সংখ্যালঘু কি কখনো প্রধান মন্ত্রী হয়েছেন, বা প্রেসিডেন্ট বা স্পিকার? আমাদের নিজেদের ভাগ্যকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। বাংলাদেশে এখনো সংখ্যালঘু ভিত্তিক কোন উগ্র সম্প্রদায়ের উথ্থান ঘটেনি। ভুলে গেলে চলবে না, সময়ের সাথে সাথে অত্যাচারিত মানুষদের ভাষা প্রতিবাদ কঠোর হয়ে আসে। ভৌগলিক দিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের প্রায় সব অংশই ভারত দ্বারা পরিবেষ্টিত। নিজামীর ভাষায়, “বাংলাদেশ ভারতের তাঁবেদার রাষ্ট্র বানানোর চক্রান্ত চলেছে” লিংকটা দাও। সঠিকভাবে নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তি সময়গুলো সংখ্যালঘু ও সবার মানবাধিকার সঠিকভাবে পালন না করলে, আমাদের অনেক বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।

একগাদা মানুষের অভিশাপ হাহাকার হয়ে পিছু লাগবে।

8
Nov

ওঁ

   Posted by: Sodeep Tags: , , ,

“The goal which all the Vedas declare, which all austerities aim at, and which men desire when they lead the life of continence … is Om. This syllable Om is indeed Brahman. Whosoever knows this syllable obtains all that he desires. This is the best support; this is the highest support. Whosoever knows this support is adored in the world of Brahma.”
~ Katha Upanishad I

ওঁ সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি সনাতন ধর্মে। এই চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয় ব্রহ্মকে। এই ব্রহ্ম একটি নৈব্যাক্তিক, চিরন্তর সনাতন ধর্মের। এটি সর্ব ক্ষমতা সম্পন্ন শক্তি। এটি সব ধরনের সুস্পষ্ট অস্তিতের প্রধান। ব্রহ্ম কোনো দিনও বলা যায় না অথবা বোঝা যায় না। তাই এই চিহ্ন দিয়ে সবকিছু বোঝান হয়। এটি একটি অজানা বস্তু যেটা কেউ প্রকাশ করতে পারেনি। এই এটার ব্যবহারের সময় এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি চিহ্নিত করে অজানাকে। এটি অস্পষ্ট (নির্গুন) এবং সুস্পষ্ট (সগুন), দুটাকেই বুঝায়। এই দুটাই ঈশ্বরের কাছে আছে। এটা আরেক নাম হচ্ছে প্রনব অথবা এমন একটা যেটা আমাদের প্রাণে এবং নিশ্বাসে আছে।

এই চিহ্ন যদিও হিন্দু ধর্মের, তবুও এটা অনেক সময় কাজে আসে। এটা নিয়মিত কাজেও আসে। হিন্দুরা কাজ শুরু করে ওঁ-এর নাম দিয়ে। এটা হিন্দুদের চিঠির উপরে লেখা হয়, পরিক্ষার খাতার উপরে লেখা হয়। এই চিহ্নযুক্ত কাপড় পড়ে হিন্দুরা। এই চিহ্ন হিন্ধুদের মন্দিরে অথবা পরিবারের ঠাকুর ঘরের উপরে থাকে।

এটা সত্যি মজার যে একটা জন্ম নেয়া শিশু জন্ম নিয়েই পবিত্র চিহ্ন দেখায়। এবং জন্ম নেবার পরে তার শরীরে ঐশ্বরিক চিহ্ন ওঁ দিয়ে রাখে। সেই শিশুর মুখে মধু দিয়ে লেখা হয় ওঁ। এবং একেবার জন্মের সময়ে এই চিহ্ন যুক্ত হয় হিন্দুদের সাথে এবং এই চিহ্ন সব সময় থাকে সেই মানুষের সাথে। এটি চিহ্নিত করে ভক্তির। এটি এখন হিন্দুরা ট্যাটু এবং আর্ট হিসেবে।

মান্দুকায় উপনিষদ অনুযায়ী, ওঁ নিয়ে লেখা আছে- ওঁ হচ্ছে একটি চিরন্তর চিহ্ন যেটাতে একমাত্র উন্নয়ন থাকে। এটার আদি, বর্তমান এবং ভবিষ্যত সব একই শব্দতে থাকে, এবং যেগুলো এই তিনটার বাহিরে থাকে, সেগুলোও এটা নিয়েই থাকে।

ওঁ কোনো শব্দ নয়। এটা বরংচ একটা কন্ঠশ্বর, গানের মত, যেটা জাতি, সময়, সংস্কৃতি এবং এক একটা প্রানীভেদ মিল করে। এটা তিনটা সংস্কৃত শব্দ দিয়ে তৈরী হয়েছে- আআ, আউ এবং মা যেগুলো একসাথে মিলিয়ে হয় ওঁ। এটা বিশ্বাস করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রথম শব্দ। এবং এটার থেকেই অন্য সবগুলো তৈরী হয়েছে। এটা নিজে একটা মন্ত্র নিজেই। এটা যদি ঠিক করে বলা হয় ( ঠিক উচ্চারন করা হয়) তাহলে এটা শরীরে একটা শান্তি আনে এবং নিজের আত্মাকে একজনের মধ্যে আনে।

এটার মধ্যে আছে শান্তি, মিল এবং সুখকে। এটি গভির নীতিশাস্ত্রের একটা শব্দ। এই ধন্নির শব্দ উচ্চারন করে আপনি সর্বচ্চ শব্দ করতে পারেন অক্ষরের যদি কেউ চিন্তা করে ব্রহ্মের এবং নিজের শরীরকে ছেরে দেয়। সে সর্বচ্চ হালে চলে যাবে যেখানে সে চলন্তহীন হয়ে যায় পরকালে। এই কথা শ্রীমদ্ভগবত গীতাতেও লেখা আছে।

ওঁ নিয়ে দুটা দিক দেখায়। এক দিকে এটা মনকে প্রকাশ করা যায় না, এই প্রকার জিনিসের প্রতি মনেকে নিযুক্ত করে। আরেক দিকে এটা চিরন্তরকে বোধ্যগম্য এবং ভাষায় প্রকাশ করার মত তৈরী করে। এটা সকল ইচ্ছা এবং সকল মনের চাওয়াকে আবৃত করে। এটা এমন একটা জিনিস যেটা এখন পর্যন্ত বলা যায়নি যে এটা কি।

ধ্যানের সময়, ওঁ দিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে একটা উচ্চারন তৈরী করতে পারি যেটা শান্তি বয়ে আনে আমাদের চিন্তায়। এবং এই শব্দ উচ্চারন করে আমরা পৃথিবীর জন্য ভাবতে পারি। প্রতিবার বলার পরে যেই সময়টা থামা হয়, সেটার কারনে আরো ভালো করে অনুভব করা যায়। তখন চিন্তা শব্দ এবং নিশব্দের মধ্যে থাকে যতক্ষন পর্যন্ত এই মন্ত্র যপ করা হয়। সেই নিশব্দের মধ্যে, ওঁ অন্যান্য চিন্তাকে দূর করে দেয়। এই সময়টাকেই বলা হয় ঘুমের অবস্থা যেই সময় মন এবং বুদ্ধি একসাথে মিলে যায় ঈশ্বরের সাথে। এবং এই সময় আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না। এই মুহুর্তটাতেই খারাপ মনভাব আপনার মন থেকে দূর হয়ে যায়। এটাই ওঁ-এর শক্তি।

26
Oct

সময়

   Posted by: Sodeep Tags: , , , ,

আমাদের মধ্য থেকে বেশি মানুষ মনে করে জীবনটাকে একই ভাবে কাটিইয়ে নিতে। এটা মনে হয় কোনো রীতি। আমরা মনে করি সকল কিছুরই শুরু আছে, মধ্য আছে এবং অন্ত কাল আছে। কিন্তু হিন্দু ধর্মে এই রীতি একটু অমিলে থাকে। তারা বিশ্বাস করে সময়ে এবং জীবনের  রীতিতে, একই সাথে।

বৃত্তকার সময়
এই নিয়মিত সময় আমাদের এখনের দিনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু হিন্দুরা এটাকে অন্যভাবে দেখে। অন্য এক বিশ্বব্রহ্মান্ডের সময় হিসেবে। হিন্দুরা বিশ্বাস করে চারটি যুগে। এগুলো অনেক অনেক সময় ধরে থাকে। এই চার যুগের নাম- সত্য যুগ, ত্রেতা যুগ, দ্বাপর যুগ এবং কলি যুগ। এবং এই বিশ্বের জন্য এই বৃত্ত কোনোদিনও শেষ হয় না এবং শুরুও হয়নি। এটা জন্ম নেয়নি শেষ হবার জন্য আবার শেষ হবে না জন্ম নেবার জন্য।

সময় হচ্ছে ঈশ্বর
হিন্দুদের সময় সংস্কৃতে কাল বলা হয়। এটা ঈশ্বরের একটা অংশ। এটা শুরু হয় যখন ঈশ্বর সকল কিছুকে চালু করে এবং শেষ হয় যখন তিনি এটা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এবং এটাই হচ্ছে অচল হবার সময়। ঈশ্বর সময়ের বাহিরে। সময় চিরন্তর এবং সকল সময় চলছে, কিন্তু তিনি এটার মধ্যে থাকেন না। অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত তার ভিতরেই আছে।

কালচক্র
ভগবান তৈরী করেছেন সময়ে চক্র অথবা কালচক্র এটা দিয়ে তিনি ভাগ করেছেন এবং সময়কে একটা গর্ণনার মধ্যে রেখেছেন। ভগবান এই সময় ব্যবহার করে জন্ম এবং মৃত্য দেখিয়েছেন। সেখানে বয়স্ক থেকে মৃত্যু আছে তার সৃষ্টিতে। যখন আমরা সময়ের বাহিরে আসব, তখন আমরা মারা যেতে পারবো না। মৃত্যু দিয়ে কিন্তু শেষ হয়না এই চক্রের কারন তারপর আসে পরের জন্ম এবং এটা চলতেই থাকে। এটা আবার সত্যি যে এই বিশ্বব্রহ্মান্ড নিজে একটা রিদমে চল।

হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, সকল মৃত্যুপ্রাপ্ত ব্যাক্তি ৪টি সময়ের মধ্যে দিয়ে যায়। এই চক্র পুর্ণ হয় যখন এক কল্প শেষ হয়। এক কল্প ১০,০০০ ঐশ্বরিক বৎসর অথবা ১০,০০০,০০০ বছর। এটাকে চার ভাগ করে তৈরী হয়েছে চারটি যুগ।

এই চার যুগের নাম, সত্য যুগ, ত্রেতা যুগ, দ্বাপর যুগ এবং কলি যুগ। সত্য যুগ চলেছে ৪০০০ ঐশ্বরিক বছর ধরে। তারপরে ত্রেতা ৩০০০ ঐশ্বরিক বৎসর। দ্বাপর চলে ২০০০ ঐশ্বরিক বৎসর এবং কলি চলবে ১০০০ ঐশ্বরিক বৎসর ধরে। প্রথম তিনটি চলে গিয়েছে।  এই চারটি ভাগ কিসের জন্য করা হয়েছে তা ঠিক বলা যায় না। কারন বৈজ্ঞানিক মতে এটা সত্যি হিসেবে প্রমান হয়নি।

এই চার ভাগে দেখা গিয়েছে কিভাবে মানুষের পরিবর্তন হয়েছে। তাদের নিজেদেরকে ভুলে গিয়ে তারা পাপের দিকে ধাবিত হয়েছে। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস যে পৃথিবীতে ৫ প্রকারের মানুষের শরীর। এগুলো হচ্ছে- অন্নমায়াস্ক, প্রাণমায়াস্ক, মনমায়াস্ক, ভিগনামায়াস্ক এবং আনন্দমায়াস্ক (annamayakosa, pranamayakosa, manomayakosa vignanamayakosa, anandamayakosa) যেগুলোর মানে-

  • অন্নমায়াস্ক- অমার্জিত শরীর
  • প্রাণমায়াস্ক- নিশ্বাসের শরীর
  • মনমায়াস্ক- মানসিক শরীর
  • ভিগনামায়াস্ক- বুদ্ধিমান শরীর
  • আনন্দমায়াস্ক- সুখি শরীর

আরেক মতে জানতে পারা যায় যে সত্য যুগে পুর্ণ সত্য ছিলো। ত্রেতাতে ১/৪ হারিয়েছে। তারপর দ্বাপরে ১/২ হারিয়েছে এবং কলিতে ১/৪ বাকি আছে। পাপ দিয়ে পুর্ণ করা হবে এই যুগে।

Page 1 of 11